ঝালকাঠিতে নিখোঁজের ৮ ঘণ্টা পর সুগন্ধা নদীর পাড়ে নারীর মরদেহ উদ্ধার

ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠি পৌরসভার খেয়াঘাট সংলগ্ন নতুন চর এলাকা থেকে নিখোঁজের আট ঘণ্টা পর নিলুফা বেগম (৬২) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি ২০২৬) ভোর ৬টার দিকে সুগন্ধা নদীর পাড় থেকে তার নিথর দেহটি উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার বিবরণ: পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১০টার দিকে নিলুফা বেগম তার নিজ এলাকা (নতুন চর) থেকে নিখোঁজ হন। স্বজনরা রাতভর খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। মঙ্গলবার ভোরে স্থানীয় বাসিন্দারা নদীর পাড়ে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করলে পরিবারের সদস্যরা সেটি নিলুফা বেগমের বলে শনাক্ত করেন।

ছিনতাইয়ের অভিযোগ: নিহতের স্বজনদের দাবি, এটি কেবল মৃত্যু নয় বরং একটি হত্যাকাণ্ড। তাদের অভিযোগ, নিলুফা বেগমের সঙ্গে থাকা স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি তার স্বর্ণের নাকফুলটি টেনে ছিঁড়ে নেওয়া হয়েছে বলে তারা ধারণা করছেন; কারণ উদ্ধারকালে তার নাক রক্তাক্ত অবস্থায় ছিল।

পুলিশের বক্তব্য: ঝালকাঠি সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. বেলায়েত হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং এ নিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠি পৌরসভার খেয়াঘাট সংলগ্ন নতুন চর এলাকা থেকে নিখোঁজের আট ঘণ্টা পর নিলুফা বেগম (৬২) নামে এক নারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি ২০২৬) ভোর ৬টার দিকে সুগন্ধা নদীর পাড় থেকে তার নিথর দেহটি উদ্ধার করা হয়।

ঘটনার বিবরণ: পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১০টার দিকে নিলুফা বেগম তার নিজ এলাকা (নতুন চর) থেকে নিখোঁজ হন। স্বজনরা রাতভর খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। মঙ্গলবার ভোরে স্থানীয় বাসিন্দারা নদীর পাড়ে একটি মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করলে পরিবারের সদস্যরা সেটি নিলুফা বেগমের বলে শনাক্ত করেন।

ছিনতাইয়ের অভিযোগ: নিহতের স্বজনদের দাবি, এটি কেবল মৃত্যু নয় বরং একটি হত্যাকাণ্ড। তাদের অভিযোগ, নিলুফা বেগমের সঙ্গে থাকা স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোনটি পাওয়া যাচ্ছে না। এমনকি তার স্বর্ণের নাকফুলটি টেনে ছিঁড়ে নেওয়া হয়েছে বলে তারা ধারণা করছেন; কারণ উদ্ধারকালে তার নাক রক্তাক্ত অবস্থায় ছিল।

পুলিশের বক্তব্য: ঝালকাঠি সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. বেলায়েত হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করেছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত করতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে এবং এ নিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *