মোঃ ফারুক হোসেন :
এসএসসি পরীক্ষায় গোল্ডেন এ প্লাস (জিপিএ-৫) অর্জন করে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছে সৈয়দ শরিফুল ইসলাম জিদান। গত ১০ আগস্ট প্রকাশিত ফলাফলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে বনশ্রী ন্যাশনাল আইডিয়াল হাই স্কুল থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে সে।
জিদানের এ সাফল্যে পরিবার, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি হয়েছে। তার বাবা সৈয়দ হায়দার আলী সুমন একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী এবং মা মরিয়ম বেগম গৃহিণী। সন্তানের এমন সাফল্যে তারা মহান আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করেন। একই সঙ্গে জিদানের সাফল্যের পেছনে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতা ও দিকনির্দেশনার জন্য তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
সাফল্যের অনুভূতি জানাতে গিয়ে সৈয়দ শরিফুল ইসলাম জিদান মহান আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, বাবা-মায়ের অনুপ্রেরণা, শিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতা এবং নিজের নিয়মিত অধ্যবসায়ের কারণেই তিনি কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন করতে পেরেছেন। ভবিষ্যতেও ভালোভাবে পড়াশোনা করে দেশের মানুষের সেবা করতে চান তিনি।
জিদানের স্বপ্ন, ভবিষ্যতে একজন মানবিক চিকিৎসক অথবা প্রকৌশলী হয়ে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করা। শুধু ভালো ফলাফল নয়, একজন সৎ, মানবিক ও আদর্শ মানুষ হিসেবে নিজেকে গড়ে তোলাই তাঁর অন্যতম লক্ষ্য।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, পড়াশোনার পাশাপাশি জিদান নৈতিক মূল্যবোধ ও শৃঙ্খলাকে গুরুত্ব দেন। বাবা-মা ও শিক্ষকদের প্রতি শ্রদ্ধা এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে সুস্পষ্ট লক্ষ্য তাঁকে এগিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করছে।
জিদানের গ্রামের বাড়ি বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলায়। রাজধানীতে পড়াশোনা করলেও নিজ শিকড় ও গ্রামের মানুষের প্রতি তাঁর রয়েছে গভীর টান। এসএসসিতে অর্জিত এ সাফল্যের মাধ্যমে তিনি পরিবার ও নিজ এলাকার জন্যও গৌরব বয়ে এনেছেন।
আগামী দিনের পথচলায় দেশবাসী, আত্মীয়স্বজন, শিক্ষক ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে দোয়া চেয়েছে জিদান। তাঁর প্রত্যাশা, উচ্চশিক্ষা অর্জন করে একজন দক্ষ ও মানবিক পেশাজীবী হিসেবে দেশের মানুষের পাশে দাঁড়ানো।
পরিবারের সদস্যরা জানান, জিদানের এ সাফল্য তাঁদের জন্য অত্যন্ত আনন্দ ও গর্বের। তাঁরা চান, ভবিষ্যতেও নিষ্ঠা, সততা ও মানবিক মূল্যবোধ ধারণ করে জিদান তার স্বপ্ন পূরণের পথে এগিয়ে যাক।